ছবি ঘর

হাওরের নাম গুরকচি

নদী-নালা, খাল-বিল আর হাওরে পরিপূর্ণ বৃহত্তর সিলেট। হাওরের অপার সৌন্দর্য বরাবরই মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। প্রতিটি হাওরের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন রূপ। তেমনি নয়নাভিরাম এক হাওরের অবস্থান সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার গুরকচি গ্রামে, যা ‘গুরকচি হাওর’ নামে পরিচিত। শহর থেকে হাওরের দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার। তার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে গ্রামের সরু পথ। সড়কলাগোয়া সীমান্তবর্তী এই হাওর বর্ষাকালে যেমন চোখজুড়ানো দৃশ্যপট তৈরি করে, তেমনি শরৎ, হেমন্ত কিংবা শীতের সময়ে হাওরাঞ্চলে পাখ-পাখালিদের কলতান কিংবা শুষ্ক মৌসুমের পড়ন্ত বিকেলের মিষ্টি রোদের আলোর ছড়াছড়ি হাওরে দেখা মেলে। বর্ষার নতুন পানিতে হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থাকে শরৎ-হেমন্ত পর্যন্ত। সকাল থেকে সন্ধ্যা রূপ বদলায় ক্ষণে ক্ষণে। বিস্তীর্ণ জলরাশির ছন্দের তালে তালে ভেসে বেড়ায় নৌকা। এ যেন শিল্পীর হাতে আঁকা হাওরের সুনিপুণ চিত্রপট। হাওরের ছবিগুলো সম্প্রতি তোলা।

মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের বাদ্য, উৎসবের রং

দেবী দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে সোমবার শুরু হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় পার্বণ শারদীয় দুর্গোৎসব। মঙ্গলবার মহাসপ্তমীতে শুরু হয়েছে দেবী-দর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ গ্রহণ। মূলত দুর্গোৎসবের মূল পর্বও শুরু হলো আজ। তাই সাড়ম্বরের মাত্রাটাও বেড়েছে। মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের বোলে যেন ধ্বনিত হচ্ছে বাঙালি হিন্দুদের হৃদয়তন্ত্রীতে বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার। শোনা যাচ্ছে উলুধ্বনি, শঙ্খ, কাঁসা ও ঢাকের বাদ্য। দেশের হাজার হাজার পূজামণ্ডপ এখন উৎসবে মাতোয়ারা। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দল বেঁধে পূজা দেখতে যাচ্ছেন। বিকেল থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে।

Loading...