গতি যখন কলিজা কাঁপায়...

বিশ্বের বড় বড় ব্যাটসম্যান শোয়েব আখতারের গতির সামনে বহুবার ভড়কে গেছেন। পাকিস্তানের সাবেক এ গতি তারকার মুখোমুখি হয়ে একবার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়েছিল ইংলিশ ব্যাটসম্যান কেভিন পিটারসেনের। জিম্বাবুয়ের সাবেক পেসার পমি এমবাংওয়ার সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম আড্ডায় সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন সাবেক এ ইংলিশ ব্যাটসম্যানের।২০০৫ সালে আইসিসি সুপার সিরিজে শোয়েবকে তাতিয়ে দেন অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ। ইংলিশ অলরাউন্ডারের স্লেজিংয়ের শিকার হন তখন তিনি। পরের বছর ইংল্যান্ড দল পাকিস্তান সফরে গেলে সেই শোধ ভালোমতোই নিয়েছিলেন 'রাওয়ালিপিন্ডি এক্সপ্রেস।' কেভিন পিটারসেন সেই সিরিজের শোয়েবেরে আগুনে বোলিংয়ের কথা ভোলেননি, ' ২০০৫ সালের অ্যাশেজ সিরিজের পর সত্যিকার অর্থে প্রথমবার দেশের বাইরে সফরে যাই পাকিস্তানে। ওই সিরিজে শোয়েব আখতার যে গতিতে বল করেছিল, ওরে বাবা! ভীষণ ভীতিকর। কয়েক সপ্তাহ আগেই আমরা আইসিসি সুপার সিরিজে অস্ট্রেলিয়ায় খেলেছি। সেখানে ব্রায়ান লারা, মুত্তিয়া মুরলিধরন, অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ, গ্রায়েম স্মিথ, জ্যাক ক্যালিস খেলেছিল। সেখানে বসে ভেবেছি এই দলে খেলা দূরে থাক, এখানে বসে থাকা ঠিক হচ্ছে কি না (শোয়েবের গতির জন্য)।' সুপার সিরিজে বিশ্ব একাদশের হয়ে খেলা সতীর্থ ফ্লিনটফ একদিন শোয়েবকে কাল্পনিক চরিত্র টারজানের সঙ্গে তুলনা করে খেপিয়ে দেন। সেই স্মৃতি ভাগ করে নেন পিটারসেন, 'শোয়েব তখন ওর হাটু নিয়ে লড়াই করছে এবং তেমন জোরে বল করতে পারছে না। ফ্রেডি ওর কাছে গিয়ে বলল শোয়েব, ভাইজান তোমাকে টারজানের মতো দেখালেও বল করছো জেনের (টারজানের সঙ্গীনি) মতো। ওই কথাটা মনে হয় শোয়েব মনের মধ্যে গেঁথে নিয়েছিল।' এরপর ডিসেম্বরে পাকিস্তানে সফরে যায় ইংল্যান্ড। তেতে থাকা শোয়েব আখতার সেবার তিন টেস্টে নিয়েছিলেন ১৭ উইকেট। সিরিজে একমাত্র তিনিই পেয়েছিলে একাই ইনিংসে ৫ উইকেট। ওই সিরিজে শোয়েবের বলের ভয়ঙ্কর গতির কথা উল্লেখ করে পিটারসেন বলেন, 'ওই সিরিজে শোয়েব আখতার কি ভয়ঙ্কর গতিতে বল করেছিল সেটা আর কী বলব! সে সকালে যেমন বল করতো, বিকেল পাঁচটায় তার চেয়েও বেশি গতিতে বল করতো। '