বরিশালে করোনা ওয়ার্ডে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে এক পুলিশ কনস্টেবল (৩৫) মারা গেছেন। তিনি বরিশাল নগর পুলিশের ট্রেনিং ও ওয়েলফেয়ার শাখায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামে। ওই পুলিশ সদস্য জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। হাসপাতালের পরিচালক বাকির হোসেন এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ওই পুলিশ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা জানতে পরীক্ষার জন্য তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ওই কনস্টেবল গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন। রাত সোয়া ১২টার দিকে তিনি মারা যান। এর আগে গত মঙ্গলবার এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে একজন পুরুষ (৫৫) ও একজন নারী মারা যান। তাদের একজনের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জে এবং অন্যজনের বাড়ি পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মাছুয়াকান্দি গ্রামে। এর আগে ২২ ও ২৪ মে করোনা ওয়ার্ডে আরও দুই রোগী মারা যান। এ নিয়ে গত ছয় দিনে করোনা ওয়ার্ডে ছয় রোগীর মৃত্যু হলো। হাসপাতালটির পরিচালক মো. বাকির হোসেন এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে গত ২৮ মার্চ থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে ৩৪ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ২৮ জন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। এ বিভাগে কোভিড–১৯ শনাক্ত হওয়া রোগী মারা গেছেন আরও ৯ জন। তাদের মধ্যে তিনজন পটুয়াখালীর, দুজন বরগুনার, দুজন ঝালকাঠির এবং বরিশাল ও পিরোজপুরের একজন করে। বিভাগে মোট আক্রান্তদের মধ্যে পুলিশের ২৪ জন ও তাদের পরিবারের আরও তিনজন মিলিয়ে ২৭ জন।