আইনের বাইরে কিছু করতে পারবেন না: ডিএনসিসি মেয়র

শুক্রবার রাজধানীর বনানীতে অবৈধ বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড অপসারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি একথা বলেন।

আতিকুল বলেন, “যা কিছুই করেন না কেন, সিটি করপোরেশনের অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু অনেকেই কোনো ধরনের আইন, নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে, যে যার মত সাইনবোর্ড, শপ সাইন, এলইডি সাইন লাগাচ্ছেন।

“অভিযানের সময় সবাই বলে, আমরা জানি না। কিন্তু আপনি যখন ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছেন, সেখানে সাইনবোর্ডের মাপও উল্লেখ করা হয়েছে। ৩ ফুট বাই ৪ ফুট সাইনবোর্ডের অনুমোদন নিয়ে যদি ৩০ ফুট বাই ৪০ ফুট সাইনবোর্ড তৈরি করেন, সেখানে যদি এলইডি লাইট লাগানো হয়, সেটা অবৈধ। এভাবে আইন অমান্য করে ঢাকা শহরে আপনারা ব্যবসা করতে পারবেন না।"

ঢাকা উত্তরের মেয়র বলেন, এভাবে সাইনবোর্ড লাগানোর ফলে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, আকাশ দেখা যায় না। অবৈধভাবে সাইনবোর্ড যারা লাগান, তারা নিজেদের অনেক ক্ষমতার অধিকারী বলে মনে করেন।

“উনারা ব্যবসা করছেন, উনারা পয়সা বানাচ্ছেন। তবে অবৈধ কোনো ধরনের সাইনবোর্ড শহরে থাকতে পারবে না।”

আতিকুল বলেন, অভিযান চলাকালে অনেকেই তাকে ফোন করে অনুরোধ করছেন, অনেকে সময় চাইছেন।

“কেউ বলছেন আমার সাইনবোর্ডটা ভাঙবেন না। কেউ কেউ আমাকে বলছে আপনি তো ফোন রিসিভ করেন না, আমি সবাইকে বলতে চাই। যখন মোবাইল কোর্ট চলবে, উচ্ছেদ চলবে, আমাকে কেউ ফোন করবেন না। ফোন করলেও আমি ধরব না।”

আগামী মাসে ডিএনসিসির অন্য এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে ডিএনসিসির সকল এলাকায় অবৈধ সাইনবোর্ড উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

শুক্রবারের অভিযান পরিচালনা করেন অঞ্চল-৭ এর আঞ্চলিক নিবার্হী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ।

অভিযানে প্রায় পঞ্চাশটি অবৈধ বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়। এসব বিলবোর্ড সাইনবোর্ড নিলামে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।