ওয়াহিদা ও স্বামীর কর্মস্থল বদলে ঢাকায় আনা হল

ওয়াহিদাকে জনপ্রশসন মন্ত্রণালয়ে এবং মেজবাউলকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে বদলি করে গত বুধবার আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

একজন কর্মকর্তা জানান, ওয়াহিদা যেহেতু অসুস্থ এবং হাসপাতালে, আপাতত তার কোনো পদায়ন না করে জনপ্রশসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে রাখা হয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় পর্যন্ত তিনি সেভাবেই থাকবেন।

“আর তার চিকিৎসার বিষয়ে স্বামী যেন সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখতে পারেন, সেজন্য তাকেও ঢাকায় বদলি করা হয়েছে।”

গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরের ইউএনওর সরকারি বাসভবনে ঢুকে ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলা হয়।

হাতুড়ি আঘাতে আহত বাবা-মেয়েকে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে প্রথমে ইউএনও ওয়াহিদাকে এবং পরে তার বাবাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে আনা হয়।

ঢাকায় এনে অস্ত্রোপচার করার পর ওয়াহিদাকে প্রথমে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছিল। শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ৭ সেপ্টেম্বর তাকে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

ওয়াহিদার ডান হাত ও ডান পা অবশ হয়ে গিয়েছিল। এর মধ্যে ডান হাতের দুর্বলতা আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে, কনুই ভাঁজ করতে পারছেন; তবে কাঁধ থেকে নাড়াতে পারছেন না।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওয়াহিদার অবস্থা এখন স্থিতিশীল, ধীরে ধীরে সুস্থও হয়ে উঠছেন। তবে ‘শতভাগ শঙ্কামুক্ত’ বলার সময় এখনও আসেনি।