অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘বিভ্রান্ত’ ‘ক্ষুব্ধ’ ওয়ার্নরা

করোনাভাইরাস নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বিতর্কিত কথা বলার পর তাঁকে ধুয়ে দিয়েছেন দেশটির ক্রীড়াবিদরা করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে কাল সন্ধ্যায় এক বিবৃতি দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি অস্ট্রেলিয়ার ক্রীড়াবিদদের কাছে ভালো লাগেনি। মরিসনকে স্রেফ ধুয়ে দিয়েছেন তারা। সোমবারের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার সব পানশালা ও থিয়েটার বন্ধ হয়ে গেছে। স্কট মরিসন এরপরও নিরাপত্তা নিখুঁত রাখতে সৌন্দর্যচর্চার সেলুন থেকে পার্লারগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এ ছাড়াও বিয়ে কিংবা শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ৫ থেকে ১০জন মানুষের বেশি সমাগম না করার নির্দেশ। কিন্তু বিপত্তিটা করে বসেন বাচ্চাদের স্কুল নিয়ে বলার সময়। মরিসন বলেন, ‘বাচ্চাদের নিরাপদে স্কুলে পাঠাতে পারেন।’ মরিসন ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘২০২০ সালটা কঠিন হবে। বাচ্চাদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটুক তা চাই না। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চারা যেন লেখাপড়া করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। ভাইরাসের কাছে হারা চলবে না।’ অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর টুইটারে তাঁর উদ্দেশে ‘গুগলি’ মারেন কিংবদন্তি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন, ‘আর সবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ঠিক বুঝতে পারছি না। আর সবাই শপিং সেন্টারে গিয়ে কাপড়-চোপড় কিনতে পারবে? এটা কেমন হলো! প্রধানমন্ত্রী তো সবাইকে চমকে দিলেন। অবশ্যই লকডাউন থাকা উচিত।’ওয়ার্ন এখানেই থামেননি। তাঁর ভাষ্য, ‘প্রধানমন্ত্রী হয়ে সবাইকে খুশি রাখা সম্ভব না। তবে অবশ্যই অস্ট্রেলিয়াকে লকডাউন করা উচিত। আসুন অন্য দেশগুলোর ভুল থেকে শিক্ষা নেই। স্বাস্থ্য সবার জন্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল লিগের (এএফএল) সাবেক খেলোয়াড় ও তারকা ব্রেন্ডন ফেভোলার টুইট, ‘আপনার সন্তানদের স্কুলে পাঠান। কিন্তু কেউ মারা গেলে শেষকৃত্যে ১০জনের বেশি পাবেন না। লোকটাকে থামতে হবে।’অস্ট্রেলিয়ার সীমিত সংস্করণের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের টুইট, ‘প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন শোনার আগে যতটুকু বিভ্রান্ত ছিলাম শোনার পর তার চেয়ে বেশি বিভ্রান্ত হয়েছি।’