জাহাঙ্গীরনগরে অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ: দুই রিট মামলাই খারিজ

ফলে অনলাইনে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে আর কোনো বাধা থাকছে না বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী জানিয়েছেন।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাই কোর্ট বেঞ্চ গত বৃহস্পতিবার এই নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিল। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী কাগজপত্র দাখিল করলে তা দেখে আদালত আবেদন দুটি সরাসরি খারিজ করে দেয়। 

আদালতে রিটকারী পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক ও সৈয়দা নাসরিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কুমার দেবুল দে।

আইনজীবী কুমার দেবুল দে পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা দুটি রিটই সরাসরি খারিজ হয়েছে। এখন নিয়োগ সম্পন্ন করতে কোনো বাধা থাকছে না।”

চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি দর্শন বিভাগে ছয়জন প্রভাষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ওই ছয় পদের বিপরীতে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন ৫৭ জন প্রার্থী। গত ১২ জুন অনলাইনে তাদের মৌখিক পরীক্ষাও হয়েছে।

দর্শন বিভাগের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করতে গত ১০ জুন হাই কোর্টে রিট করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান, আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া, জাকির হোসেন ও সহকারী অধ্যাপক আবদুছ ছাত্তার।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং দর্শন বিভাগের সভাপতিকে উকিল নোটিস দেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন। দর্শন বিভাগেরই আটজন শিক্ষকের পক্ষে নোটিসটি পাঠানো হয়।

তার আগে গত ৯ জুন এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধে ইউজিসির চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আবেদন করেছিলেন ওই আট শিক্ষক।

এদিকে নিয়োগ প্রার্থীদের মধ্য থেকে দুইজন অনলাইনে নিয়োগ প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে গত সপ্তাহে আরেকটি রিট আবেদন করেন। পরে দুটি রিটের শুনানি একসাথে নিয়ে রোববার আদেশের জন্য রাখে হাই কোর্ট। রোববার দুই আবেদনই খারিজ হয়ে গেল।